জনপ্রিয়তার শীর্ষে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম

মোট দেখেছে : 89
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

আরফাত হোসেন আলিফ, ভোলা জেলা প্রতিনিধিঃ পৌর মেয়র রফিকুল ইসলামের সঠিক নেতৃত্বে উন্নয়নের অগ্রগতিতে বদলে যাচ্ছে ভোলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার রূপ।আধুনিকতার শীর্ষে পৌছাতে শুরু করেছে ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার পৌরসভা।

তার এই আধুনিকতা,উন্নয়ন,সর্বস্থরের জনগণ এর সেবা,ও তাদের প্রতি ভালবাসা নজর কেড়েছে সবার। যা বোরহানউদ্দিন এর ইতিহাসে কখনো হয়নি বলে জানা যায়।জনগনের বিপদে-আপদে সবসময়ই পাশে রয়েছে পৌরমেয়র রফিকুল ইসলাম। 

তার এই জনপ্রিয়তা এবং বোরহানউদ্দিন পৌরসভার উন্নয়ন ও অগ্রগতির বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি সাংবাদিক ও লেখক এইচ এম মোঃ সাইফুল ইসলাম আকাশকে জানান:

মহান সৃষ্টিকর্তার দরবারে অশেষ শুকরিয়া। দীর্ঘ প্রায় তিন বছর ধরে একটি প্রজেক্টে বোরহানউদ্দিন পৌরসভাকে অর্ন্তভূক্ত করার জন্য অবিরাম চেষ্টা করে যাচ্ছিলাম। এ চেষ্টার পথে আমাদের অভিভাবক সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী জনাব তোফায়েল আহমেদ এমপি’র সহযোগীতা অগ্রগণ্য। আমাদের মাননীয় সংসদ সদস্য জনাব আলী আজম মুকুল এর আন্তরিক প্রচেষ্টা ভুলবার নয়। 

প্রজেক্টটির নাম পৌরসভার দ্বিতীয় উপকূলীয় পরিবেশগত অবকাঠামো প্রকল্প(সিটিইআইপি-২)। ইতিমধ্যে ঐ প্রকল্পের দুইটি টিম আমাদের পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডে সরেজমিন পরিদর্শন করেছে। প্রকল্পের পরিচালক(পিডি) জনাব মো. সাইফুল ইসলাম সহিদ ঐ প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন প্রকল্পের যথার্থতা যাচাইয়ের জন্য আজ শুক্রবার পরিদর্শনে এসেছেন। এর আগে ঐ প্রকল্পের নির্বাহী প্রকৌশলী জনাব আল আমিন ফয়সাল আমাদের নেয়া প্রকল্পগুলো সম্ভাব্যতা যাচাই করেছেন। ফলাফল ইতিবাচক। 

সহসাই এ প্রকল্পের কাজ শুরু হবে। এর ফলে চলতি মেয়াদে আমার নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির প্রায় শতভাগ পূরণ করা সম্ভব হবে। কোন কোন ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতি ও ছাড়িয়ে যাবে। 

প্রশ্ন হচ্ছে এ প্রকল্পে কী আছে। সিটিইআইপি-২ প্রকল্পের আওতায় পৌর এলাকার বর্জ্য অপসারনে ও ধ্বংস করার পরিবেশসম্মত ডাম্পিং স্টেশন, শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বেশ ক’টি টেকসই সাইক্লোন সেল্টার কাম একাডেমিক ভবন, সড়ক, ব্রিজ, বাজার উন্নয়ন(মাছ বাজার, কাচা বাজার), পার্ক, বস্তি উন্নয়ন(ঘনবসতিপূর্ণ নিম্ম আয়ের মানুষদের বসবাস স্থান), ড্রেন নির্মান ও  সৌন্দর্য বর্ধনের কাজ হবে। পার্ক, বিনোদন কেন্দ্র আর ওয়াকিং স্ট্রিটের যায়গা সহ  অন্যান্য স্থাপনার যায়গা প্রজেক্ট টিমকে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। আশা করা যায় প্রাথমিভাবে উন্নয়ন কাজ টাকার অংকে ১ শত কেটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। আমাদের পৌরসভার যে আয়তন তাতে এ প্রকল্পে অন্তর্ভূক্ত মানে গোটা পৌরসভাকে ভিন্নমাত্রা দেয়া সম্ভব। কোন এলাকা নাগরিক সুবিধা বঞ্চিত হবার সুযোগ নেই। 

এ মেয়াদে মেয়র হিসেবে আমার সময়কাল শেষের দিকে। আগামি নির্বাচনে যিনি মেয়র হিসেবে নির্বাচিত হবেন তাঁর সামনে অন্তত: নাগরিক সুবিধা নিয়ে কোন চ্যালেঞ্জ থাকবেনা। 

আপনারা ভালো থাকবেন। আমার জন্য দোয়া করবেন। মহান আল্লাহ্ আমাদের সহায় হোন।

উল্লেখ্য যে ভোলা জেলার বোরহানউদ্দিন পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম মহামারী করোনা ভাইরাসে যখন নিস্তব্ধ সারা পৃথিবী সেখানে নিজের জিবনের ঝুকি নিয়ে নিজ পরিবার এর কথা না ভেবে জনগণ এর সেবা নিশ্চিত করে এক বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন পৌর মেয়র রফিকুল ইসলাম।

আরো দেখুন

সাম্প্রতিক ভিডিওগুলি