আবারও বিশ্বকাপ ফাইনালের স্বাদ দিলেন এমবাপ্পেরা

মোট দেখেছে : 66
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

অনলাইন ডেস্কঃ দুই বছর আগে বিশ্বকাপ ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছিল তারা। সে ম্যাচে ফ্রান্সের কাছে পাত্তাও পায়নি ক্রোয়েশিয়া। ফ্রান্স ৪-২ গোলে উড়িয়ে দিয়েছিল তাদের। সেই ম্যাচের পর নিজেদের ক্ষতে প্রলেপ লাগানোর সুযোগ আরও দুইবার পেয়েছে লুকা মদরিচরা। সেটি এবারের ইউরোপীয় নেশনস লিগেই। প্রথম লেগে আবারও ৪-২ গোলে হারের পর ক্রোয়াটরা হেরেছে কাল দ্বিতীয় লেগের ম্যাচেও। এবারের ব্যবধান ২-১।

বিশ্বকাপ ফাইনালের মতোই কাল জাগরেবে ফ্রান্সের হয়ে গোল করেছেন আতোয়াঁ গ্রিজমান ও কিলিয়ান এমবাপ্পে। ক্রোয়েশিয়ার গোলটি সিএসকেএ মস্কোর মিডফিল্ডার নিকোলা ভ্লাসিচের। ৪-৩-১-২ ছকে মাঠে নেমে ফ্রান্সের শুরুটা হয়েছিল চ্যাম্পিয়নদের মতোই। একের পর এক আক্রমণে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগকে ব্যতিব্যস্ত রেখেছিল তারা। সুফলও পেয়ে যায় কিছুক্ষণের মধ্যে। সাধারণত লেফটব্যাক হিসেবে খেলা রিয়াল মাদ্রিদের খেলোয়াড় ফারলাঁ মেন্দি এ ম্যাচে খেলেছেন রক্ষণভাগের ডান দিকে। তাঁর একটি ক্রস ক্রোয়েশিয়ার ডিফেন্ডার দোমাগোই ভিদার গায়ে লেগে চলে যায় ফাঁকা দাঁড়িয়ে থাকা গ্রিজমানের কাছে। পোস্টের একদম কোনায় লক্ষ্য করে মারা বুলেটগতির শটটা আটকানোর জন্য একটু নড়তেও পারেননি গোলরক্ষক দমিনিক লিভাকোভিচ। ১৫ মিনিটে এমবাপ্পে আর ইউনাইটেড-তারকা অ্যান্থনি মার্শিয়ালের দুর্দান্ত রসায়নে ক্রোয়েশিয়ার রক্ষণভাগ ভেদ করে ফ্রান্স। মার্শিয়ালের কাট ব্যাকে মাপা শটেই যেখানে গোল হয়ে যায়, সেখানে অবিশ্বাস্যভাবে সুযোগটা নষ্ট করেন এমবাপ্পে। বিশ মিনিটের পর আস্তে আস্তে ক্রোয়েশিয়াও আক্রমণে তৈরি করে। ২৫ মিনিটে পেরিসিচের ফ্রি-কিক একটুর জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ম্যাচটা হয়েছে জাগরেবের মাঠে হলেও দিনামো জাগরেবের ঘরের ছেলে ব্রুনো পেতকোভিচ বেশ কয়েকটি সুযোগ নষ্ট করেছেন। দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে আরেকটা দুর্দান্ত সুযোগ তৈরি করেছিলেন পেরিসিচ। জায়গামতো দুই স্ট্রাইকারের কেউই না থাকার কারণে গোল হয়নি। ৫৩ মিনিটে মিডফিল্ডার নিকোলা ভ্লাসিচের বাঁ পায়ের এক দূরপাল্লার শট লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। ৬৪ মিনিটে ভ্লাসিচ আর ব্যর্থ হননি। ভলফসবুর্গের উইঙ্গার ইয়োসিপ ব্রেকালোর পাস ধরে ফ্রান্স ডিফেন্ডারদের কিছু বুঝে উঠতে দেননি তিনি। তার আগেই ডান পায়ের এক আচমকা শটে দলকে সমতায় ফেরান এভারটনের সাবেক এই মিডফিল্ডার। ৭৮ মিনিটে ফ্রান্সের লেফটব্যাক লুকাস দিনিয়ে দুর্দান্তভাবে উঠে বক্সে বল পাঠান এমবাপ্পের উদ্দেশ্যে।  গোল করতে এবার আর সমস্যা হয়নি পিএসজি তারকার। এই গোলে পল পগবারও অবদান আছে। তিনিই মধ্যমাঠ থেকে বল বাড়িয়েছিলেন দিনিয়ের দিকে।


এই জয়ের পরেও গ্রুপের শীর্ষে উঠতে পারেনি ফ্রান্স। সেটি হয়নি পর্তুগালের কারণে। ইউরোজয়ীরাও যে জিতেছে নিজেদের ম্যাচে! গোল ব্যবধানে গ্রুপের শীর্ষে আছে পর্তুগাল, দশ পয়েন্ট নিয়ে। সমান পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ফ্রান্স।

সূত্রঃ প্রথম আলো

আরো দেখুন

সাম্প্রতিক ভিডিওগুলি