নেইমার-এমবাপের গোলে পিএসজির বিশাল জয়

মোট দেখেছে : 114
প্রসারিত করো ছোট করা পরবর্তীতে পড়ুন ছাপা

অনলাইন ডেক্সঃ প্রথমার্ধে দুই গোল করে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া পিএসজি বিরতির পর জালের দেখা পেল আরও চারবার। দাপুটে ফুটবলে অঁজিকে উড়িয়ে দিল টমাস টুখেলের দল। নিজেদের মাঠে শুক্রবার লিগ ওয়ানের ম্যাচটি ৬-১ গোলে জিতেছে পিএসজি। জোড়া গোল করেন নেইমার। একটি করে গোল করেন কিলিয়ান এমবাপে, আলেস্সান্দ্রো ফ্লোরেন্সি, ইউলিয়ান ড্রাক্সলার ও ইদ্রিসা গেয়ি।

চলতি লিগে প্রথম দুই ম্যাচে হারের পর টানা চতুর্থ জয় পেল প্রতিযোগিতার বর্তমান চ্যাম্পিয়নরা। শুরু থেকে আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলা পিএসজিকে সপ্তম মিনিটে দারুণ এক গোলে এগিয়ে নেন ফ্লোরেন্সি। প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের হেডে ডি-বক্সের ডান দিকে বল পেয়ে প্রথম স্পর্শে একটু ওপরে তুলে দুর্দান্ত ভলিতে বাঁ পোস্টের ওপরের কোণা দিয়ে ঠিকানা খুঁজে নেন এই ইতালিয়ান ডিফেন্ডার। গোলরক্ষক নড়ার সুযোগ পাননি।

দুই মিনিট পর ব্যবধান দ্বিগুণ হতে পারতো, তবে ডি-বক্সের বাইরে থেকে নেইমারের জোরালো নিচু শট ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান গোলরক্ষক।

একটু পর সতীর্থের ক্রসে ডি-বক্সে স্তেফানের হেড পোস্টের সামান্য বাইরে দিয়ে গেলে সমতায় ফেরা হয়নি সফরকারীদের। ৪১তম মিনিটে ফ্লোরেন্সির হেড ডান দিকে ঝাঁপিয়ে ঠেকান অঁজি গোলরক্ষক। এর মাঝে ৩৬তম মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন নেইমার। এমবাপের বাড়ানো বলে খুব কাছ থেকে ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ডের শট ক্রসবারের নিচের দিকে লেগে জালে জড়ায়। দ্বিতীয়ার্ধের দ্বিতীয় মিনিটে স্কোরলাইন ৩-০ করেন নেইমার। ডান দিক থেকে ফ্লোরেন্সির ডি-বক্সে বাড়ানো বল প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লাগার পর জোরালো শটে জালে পাঠান ২৮ বছর বয়সী তারকা।

চার মিনিট পর একটি গোল শোধ করেন ইসমায়েল ত্রাওরে। সতীর্থের ক্রসে খুব কাছ থেকে হেডে ঠিকানা খুঁজে নেন এই ডিফেন্ডার। অবশ্য ৫৭ মিনিটে ড্রাক্সলারের গোলে ব্যবধান আবার বাড়িয়ে নেয় পিএসজি। ডি-বক্সের ভেতর থেকে এই জার্মান মিডফিল্ডারের শট প্রতিপক্ষের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে দিক পাল্টে জালে জড়ায়। ৭১তম মিনিটে জালের দেখা পান ড্রাক্সলারের বদলি নামা গেয়ি। ডি-বক্সের বাইরে থেকে তার ডান পায়ের জোরালো শট সফরকারী এক খেলোয়াড়ের গায়ে লেগে দিক পাল্টে জাল খুঁজে নেয়।

নির্ধারিত সময়ের ছয় মিনিট বাকি থাকতে সফরকারীদের কফিনে শেষ পেরেক ঠুকে দেন এমবাপে। বাঁ দিক থেকে পাবলো সারাবিয়ার বাড়ানো বল ডি-বক্সে পেয়ে গোলটি করেন এই ফরাসি ফরোয়ার্ড। বিশাল জয়ের আনন্দে মাঠ ছাড়ে স্বাগতিকরা।

ছয় ম্যাচে চার জয় ও দুই হারে ১২ পয়েন্ট নিয়ে দুই নম্বরে উঠে এসেছে পিএসজি। এক ম্যাচ কম খেলে ১৩ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে রেন। সমান তিনটি করে জয় ও হারে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আটে অঁজি।

আরো দেখুন

সাম্প্রতিক ভিডিওগুলি