বিশেষ সাক্ষাৎকার: সাকিব আল হাসান

সবার আস্থার প্রতিদান দেওয়া আমার দায়িত্ব

সাকিব আল হাসান
সর্বমোট পঠিত : 122 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

ক্রিকেটটা তিনি শুধু ভালো খেলেনই না; ভালো বোঝেনও। তার ক্রিকেট-মেধার ভক্ত স্বয়ং কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। জাতীয় দলের সতীর্থরাও তাকে দেখেন অন্য চোখে। সেই সাকিব আল হাসান যখন বলেন, ২০২১ টি২০ বিশ্বকাপ (আরব আমিরাত) আর ২০২৩-এর ওয়ানডে বিশ্বকাপে (ভারত) বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তো শরতের হাওয়ার ঝাপটা লাগে প্রত্যাশার পালে। ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নের পরিধি বেড়ে যায়। টি২০ ক্রিকেটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এ দুটি বিশ্বকাপ মঞ্চে ভালো খেললে সেমিফাইনালেও যেতে পারে বাংলাদেশ। নিউজ ডেস্ক: ছুটি কেমন কাটছে, ছেলেমেয়েরা তো অনেক দিন পরপর কাছে পায় আপনাকে?


ক্রিকেটটা তিনি শুধু ভালো খেলেনই না; ভালো বোঝেনও। তার ক্রিকেট-মেধার ভক্ত স্বয়ং কোচ রাসেল ডমিঙ্গো। জাতীয় দলের সতীর্থরাও তাকে দেখেন অন্য চোখে। সেই সাকিব আল হাসান যখন বলেন, ২০২১ টি২০ বিশ্বকাপ (আরব আমিরাত) আর ২০২৩-এর ওয়ানডে বিশ্বকাপে (ভারত) বাংলাদেশের ভালো সম্ভাবনা রয়েছে, তখন তো শরতের হাওয়ার ঝাপটা লাগে প্রত্যাশার পালে। ১৬ কোটি মানুষের স্বপ্নের পরিধি বেড়ে যায়। টি২০ ক্রিকেটের বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার একান্ত সাক্ষাৎকারে বলেছেন, এশিয়ায় অনুষ্ঠেয় এ দুটি বিশ্বকাপ মঞ্চে ভালো খেললে সেমিফাইনালেও যেতে পারে বাংলাদেশ।
নিউজ ডেস্ক: ছুটি কেমন কাটছে, ছেলেমেয়েরা তো অনেক দিন পরপর কাছে পায় আপনাকে?


সাকিব :ভালো কাটছে। হ্যাঁ, অনেক দিন পরপর দেখা হয়। ওরা আসলে অভ্যস্ত হয়ে গেছে। ওরা জানে, বাবা খেলতে যাবে। সব সময় থাকবে না (হাসি)। তবে এখানে (যুক্তরাষ্ট্র) এলে ওরা ছাড়তে চায় না। সারাক্ষণ কাছে কাছে থাকে।


নিউজ ডেস্ক: কয়েক দিন পরই তো দেশে ফিরতে হবে। নিউজিল্যান্ড
সিরিজ, আইপিএল, টি২০ বিশ্বকাপ- অনেক ব্যস্ততা।
সাকিব : মোটামুটি সব প্রস্তুতিই নেওয়া হচ্ছে। জানি, কী করতে হবে। যেহেতু পরপর তিনটি সিরিজ আছে, অনেক সময় খেলার ভেতরে থাকব, বায়ো-বাবলে থাকব। সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি, যাতে করে ঝামেলা না হয় বা ক্লান্ত না হয়।


নিউজ ডেস্ক : বিশ্বকাপের আগে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে শেষ সিরিজে কেমন ফল আশা করেন?
সাকিব :ছন্দে থাকতে পারলে ভালো হবে। আত্মবিশ্বাস নিয়ে বিশ্বকাপে যেতে পারব। ভালো কিছু করার চেষ্টা অবশ্যই থাকবে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে দল ভালো করলে সে আত্মবিশ্বাসটা বিশ্বকাপে কাজে দেবে।

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য নিউজিল্যান্ড সিরিজের কন্ডিশন কেমন হলে ভালো?
সাকিব : টি২০ যেখানেই খেলা হোক, সাধারণত ভালো উইকেটে খেলা হয়। নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে বেটার উইকেটে খেলে যেতে পারলে আমাদের জন্য হয়তো ভালো হবে। তবে এটা টিম ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্ত, তারা কোন উইকেটে বা কী ধরনের উইকেটে খেলে যেতে চায়। যেটাই হোক, আমাদের মানিয়ে নিতে হবে। যেহেতু আমাদের দেশে খেলা, তাই অজুহাত দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই।


নিউজ ডেস্ক: নিউজিল্যান্ড দলে তো বিশ্বকাপ স্কোয়াডের কোনো খেলোয়াড় নেই। আপনারা কি আর একটু ভালো দল আশা করেছিলেন?
সাকিব : আসলে ওরা কাকে পাঠাবে-না পাঠাবে, এটা সম্পূর্ণ ওদের ওপরে নির্ভর করে। আমাদের খেলা হচ্ছে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে। আমাদের ভালো করতে হবে নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে, কোনো খেলোয়াড়ের বিরুদ্ধে নয়।

নিউজ ডেস্ক : বিশ্বকাপ ওমান ও আমিরাতে। ওই কন্ডিশনের জন্য কেমন দল হলে ভালো করার সম্ভাবনা বেশি থাকবে?

সাকিব : যেখানে খেলা হচ্ছে, সেখানে আমাদের ভালো করা উচিত। কন্ডিশনটা আমাদের কাছে অপরিচিত না। ইউএইতে (ইউনাইটেড আরব আমিরাত) এশিয়া কাপে ভালো করেছি আমরা। আমার কাছে মনে হয়, কন্ডিশন নিয়ে আমাদের চিন্তা করার কোনো কারণ নেই। যেটা হচ্ছে, দল হিসেবে ভালো করতে হবে। আমরা শেষ দুটি সিরিজ- জিম্বাবুয়ে ও অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে ভালো খেলেছি। পরের সিরিজটা নিউজিল্যান্ডের সঙ্গে যদি ভালো করি, তাহলে খুব ভালো হবে।


নিউজ ডেস্ক: অলরাউন্ডার বেইজ দল হলে ভালো করার সুযোগ কি বেশি থাকে?
সাকিব :আসলে ও রকম না যে অলরাউন্ডার বেশি হলে ভালো হবে। হয়তো একটু সুবিধা থাকবে। তবে সবকিছুর সমন্বয়ের (কম্বিনেশন) দরকার আছে।
নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ বিশ্বকাপে আপনার একটা স্বপ্ন ছিল। টি২০ বিশ্বকাপ ঘিরেও নিশ্চয়ই লক্ষ্য আছে?


সাকিব : পরিকল্পনা তো আছেই। তবে দলগত পরিকল্পনা আমার কাছে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কী হলে দল ভালো করতে পারবে, সেটা নিয়েই বেশি ফোকাস।
নিউজ ডেস্ক: টানা তিনটি বিশ্বকাপ হবে তিন বছরে। ২০২১-২২ দুটি টি২০ বিশ্বকাপ, ২০২৩ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ। বাংলাদেশের কোনটিতে বেশি ভালো করার সুযোগ আছে?
সাকিব : আমার কাছে মনে হয়, এবারের টি২০ বিশ্বকাপ আর ২০২৩ সালের ওয়ানডে বিশ্বকাপে আমাদের ভালো করার সম্ভাবনা বেশি। এমন না যে ২০২২-এরটায় নেই। ২০২২ সালে অস্ট্রেলিয়াতে খেলা হওয়ায় আমাদের জন্য একটু কঠিন হওয়া স্বাভাবিক। সে তুলনায় ইউএই ও ভারত আমাদের পরিচিত জায়গা। সুতরাং আমাদের জন্য ভালো করার সুযোগ এ দুই বিশ্বকাপে বেশি। সুযোগ একটু বেশি থাকবে।
নিউজ ডেস্ক: এ দুই বিশ্বকাপের কোন পর্যায়ে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখেন?


সাকিব :ছন্দে থেকে ভালো ক্রিকেট খেলতে পারলে সেরা চারে যাওয়া অসম্ভব হবে না। আমরা তো এখন পরিণত দল। ক্লিক করলে আরও বেশি কিছুর চিন্তা করা যেতে পারে।
নিউজ ডেস্ক: টি২০ বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য আইপিএলে খেলতে গিয়েছিলেন। ভারতে খেলেছেন, এবার আমিরাতে আইপিএল খেলবেন। আপনার বিশ্বকাপ প্রস্তুতি তো ভালো হওয়ার কথা?
সাকিব : হ্যাঁ, সে সম্ভাবনা তো থাকবেই। এখন দেখতে হবে, কতগুলো ম্যাচ খেলতে পারি, সেটা একটা চ্যালেঞ্জ। যদি ম্যাচ খেলি, এক ধরনের প্রস্তুতি থাকবে। আর ম্যাচ না খেললে আরেক ধরনের প্রস্তুতি থাকবে।
নিউজ ডেস্ক: ইংল্যান্ড বিশ্বকাপের আগেও আইপিএল ম্যাচ পাচ্ছিলেন না, তখন নিজের মতো করে প্রস্তুতি নিয়ে সফল হয়েছিলেন। আমিরাতেও কি তেমন কোনো পরিকল্পনা থাকবে?
সাকিব : হ্যাঁ, সেটাই। আসলে নিয়মিত খেলতে থাকলে এক ধরনের প্রস্তুতি হবে। যদি না খেলি, তাহলে ট্রেনিংয়ের মাধ্যমে ওই প্রস্তুতিটা নিতে হবে।


নিউজ ডেস্ক : অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে চতুর্থ ম্যাচে বোলিং ভালো করেননি। এক ওভারে পাঁচটি ছক্কা নিয়েছে। অথচ পরের ম্যাচেই হলেন ম্যাচসেরা। কীভাবে সম্ভব?
সাকিব :আসলে এগুলো নিয়ে আমি খুব বেশি চিন্তা করি না, এ কারণেই মনে হয় আমার জন্য জিনিসগুলো সহজ হয়। আর যদি বেশি চিন্তা করতাম, তাহলে কঠিন হয়ে যেত।
নিউজ ডেস্ক: টি২০-তে আপনার পছন্দের ব্যাটিং অর্ডার কি তিনেই আছে?


সাকিব :আমার মনে হয়, এ জায়গা আমার জন্য ভালো। বেশি অবদান রাখার সুযোগ থাকে। তবে দলের প্রয়োজনে অনেক জায়গায় খেলতে হতে পারে। আমি সে জন্য প্রস্তুত। আমাকে যদি ব্যক্তিগতভাবে জিজ্ঞেস করা হয়, তাহলে বলব- তিন নম্বর জায়গাটি আমার জন্য সবচেয়ে ভালো।


নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন হলো ব্যাটিংয়ে আগের ছন্দে নেই। সামনের সিরিজে পুরোনো ছন্দে দেখা যেতে পারে?
সাকিব :চেষ্টা তো থাকবেই ভালো অবস্থায় থেকে বিশ্বকাপে যাওয়ার। এই চেষ্টা সব সময় থাকে। আমার মনে হয় না, ব্যাটিংয়ে খুব বেশি সমস্যা হচ্ছে। একটা-দুইটা বড় ইনিংস পেলে ভালো প্রস্তুতি হবে। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে যে উইকেটে খেলেছি, বড় ইনিংস খেলার সুযোগও ছিল না। এই পাঁচটি ম্যাচ আসলে ওইভাবে 'কাউন্ট' করা ঠিকও হবে না। জিম্বাবুয়েতে সুযোগ ছিল, যেটা আমি কাজে লাগাতে পারিনি। নিউজিল্যান্ড সিরিজে 'বেটার উইকেট' থাকলে চেষ্টা থাকবে বড় ইনিংস খেলার।


নিউজ ডেস্ক : মাহমুদুল্লাহ আইসিসিকে সাক্ষাৎকারে বলেছেন, সাকিব দলের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড়। অধিনায়ক এতটা নির্ভর করায় আপনার দায়বদ্ধতা ও দায়িত্ব বেড়ে যায় কিনা?
সাকিব :দায়বদ্ধতা, দায়িত্ব এটা সব সময় ছিল, আছে এবং থাকবে। হ্যাঁ, যখন দলের জন্য কিছু করতে পারব, তখন অবশ্যই ভালো লাগবে। এটা শুনে ভালো লাগে, টিমমেটরা আমার ওপর আস্থা রাখে। সুতরাং এর প্রতিদান দেওয়া আমার দায়িত্ব।


নিউজ ডেস্ক: মাহমুদুল্লাহর সঙ্গে আপনার বোঝাপড়া খুব ভালো দেখছি।
সাকিব :অনেক দিন খেলার সুবাদ এবং উনার সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটাও ভালো। আমরা যখন একসঙ্গে ব্যাটিং করি, তখন নিজেদের কল দেওয়া লাগে না। চোখের ইশারায় আমরা রান নিতে পারি। উনার সঙ্গে আমার বোঝাপড়াটা সব সময়ই ভালো থাকে।


নিউজ ডেস্ক : বাংলাদেশের ক্রিকেটে 'ট্রানজেকশন পিরিয়ড' শুরু হয়ে গেছে, বিশেষ করে টি২০-তে। যারা নতুন এসেছে, তাদের জন্য আপনার পরামর্শ কী?
সাকিব : আমি তো মনে করি, সবার ভেতরে ভালো খেলোয়াড় হওয়ার সুযোগ আছে। তারা অন্য অনেক খেলোয়াড়ের চেয়ে বেশ প্রতিভাবান। সে প্রতিদানও তারা দিচ্ছে এবং সে কারণেই জাতীয় দলে আছে। দলের হয়ে অবদান রাখছে, এটা সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি। আমার আশা থাকবে, ওরা নিয়মিতই যেন এ রকম করতে থাকে। এটা ওদের জন্য একটা চ্যালেঞ্জ এবং দায়িত্ব। আমার কাছে মনে হয়, ওরা খুব ভালোভাবে মানিয়েও নিতে পারবে।
নিউজ ডেস্ক : আপনি কি ভবিষ্যৎ দেখতে পান? দু-তিন বছর আগেই বলেছিলেন রোটেশন পদ্ধতির কথা। এখন তো সেটাই হচ্ছে?


সাকিব :জানি না, তখন কী মনে করে বলেছিলাম। এখন যে পরিমাণ ক্রিকেট হয় আন্তর্জাতিক ও ফ্র্যাঞ্চাইজি মিলিয়ে, প্রতিটি দেশ যত ক্রিকেট খেলে, আসলে রোটেশন পলিসি হতেই হবে। কিংবা রিজার্ভ বেঞ্চ অনেক ভালো হতে হবে, যেন নূ্যনতম দুটি দল করার মতো খেলোয়াড় থাকে। তাহলে সব ফরম্যাটে ভালোভাবে টিকে থাকা সম্ভব। কারণ, এখন একটি ফরম্যাটে ভালো খেললে আরেকটি ফরম্যাটে ভালো করার সম্ভাবনা কম থাকে।
নিউজ ডেস্ক: দল আপনাকে সব সিরিজে পেতে চাইবে। কিন্তু খেলা এবং বায়ো-বাবল মিলে 'ওয়ার্ক লোড ম্যানেজ' করারও তো ব্যাপার থাকে?
সাকিব :এগুলো সব সময় আলোচনার মাধ্যমেই করা যাবে। এ বছর খুব বেশি খেলা আর নেই। নিষেধাজ্ঞার কারণে আমি অনেক খেলা মিস করেছি। চেষ্টা থাকবে এ বছরটা খুব ভালোভাবে শেষ করার। পরে চিন্তা করে, সবার সঙ্গে আলাপ-আলোচনা করে যেটা ভালো হয়, সেটা করা যাবে।


নিউজ ডেস্ক: তিন সংস্করণে তিন অধিনায়কের অনেক দিন তো হয়ে গেল। কেমন দেখলেন তাদের?
সাকিব :কীভাবে মূল্যায়ন করব (হাসি)। আমার মনে হয়, তিনজনই যার যার জায়গা থেকে সর্বোচ্চ কাজটি করছে। এখন যেটা হচ্ছে, কোনো সংস্করণে হয়তো আমাদের দলকে বেশি শুট করে। সেটা আমরা ভালো করতে পারি। যেটা শুট করে না, সেখানে অত ভালো করতে পারি না। তবে সবাই জানে, কোন জায়গাগুলো নিয়ে কাজ করতে হবে। সেটা নিয়ে কাজ করছেও।
নিউজ ডেস্ক: বিসিবি কেন্দ্রীয় চুক্তিতে ফরম্যাট পছন্দ করার সুযোগ রেখেছিল। আপনি তো এবার সবগুলোতে টিক দিয়েছেন, তাই না?
সাকিব :এবার তো তিনটাতেই টিক দিয়েছি। সো, তিনটাতেই খেলছি এ বছর।


নিউজ ডেস্ক : দূরে থেকে পরিবার ম্যানেজ করে খেলা চালিয়ে যাওয়া একটু কি কঠিন হয়ে যায়?
সাকিব :কঠিন, তবে এখন বিকল্পও নেই। অতএব, এটাই মেইনটেন করতে হবে।
নিউজ ডেস্ক: লিগে অনেক দিন পর খেলেছেন। কিছু উত্তেজনাকর মুহূর্ত ছিল। সেটা কি কোনো কিছুর প্রতিবাদ?
সাকিব :না। হিট অব দ্য মোমেন্ট।


নিউজ ডেস্ক: কভিডের ভেতরে ঘরোয়া ক্রিকেট নিয়মিত হচ্ছে না। এভাবে চলতে থাকলে দীর্ঘ মেয়াদে প্রভাব পড়তে পারে?
সাকিব :আমাদের আসলে এটা (করোনা) নিয়েই চলতে হবে। এটার ভেতরেই পথগুলো বের করতে হবে। এখন বসে থাকলে হবে না। কবে কভিড চলে যাবে, তারপর খেলা শুরু করা যাবে- সেটা করলে প্রভাব পড়বে। এর ভেতরেই কীভাবে ঠিকঠাকভাবে কাজগুলো চালিয়ে নেওয়া যায়, সেটা খুঁজে বের করে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।


নিউজ ডেস্ক: দেশে আপনার প্রচুর সমালোচনা হয়। সাকিব বড় ক্রিকেটার বলেই কি এই সমালোচনা?
সাকিব :এটা আমার পক্ষে বলা মুশকিল যে মানুষ কী বলে, কেন বলে এবং কী কারণে বলে। সেটা জানিও না, চিন্তাও করি না। ভালো কথা বললে ভালো। সমালোচনা করলে সেটা তাদের নিজস্ব ব্যাপার।
নিউজ ডেস্ক : আমরা মিডিয়াও তো আপনার সমালোচনা লিখি। খারাপ লাগে না?
সাকিব :না (হাসি)।


নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ দল কি সাকিবের সার্ভিস আরও পাঁচ বছর পেতে পারে?
সাকিব :আসলে সময় নিয়ে বলা কঠিন। যেটা বললাম, এ বছর পর্যন্ত সব পরিকল্পনা ঠিক আছে। সামনের বছরের শুরুতে হয়তো ওই বছরের পরিকল্পনা করব। আসলে পাঁচ বছর, ১০ বছর নিয়ে চিন্তা করি না। তবে যত দিন ফিট আছি এবং পারফরম্যান্স আছে, তত দিন খেলে যাওয়ার ইচ্ছা আছে। সেটা দেখি কত দিন সম্ভব হয়।

মন্তব্য

আরও দেখুন

জামালপুর লাইভ টিভি