পাঁচ মাস পর খুলছে বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্র

বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্র
সর্বমোট পঠিত : 52 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না কঠোরভাবে নজরদারি করা উচিত।


প্রায় পাঁচ মাস পর খুলছে দেশের সব বিনোদন ও পর্যটনকেন্দ্র। রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র আসন সংখ্যার ৫০ ভাগ ব্যবহারের শর্তে চালু রাখা যাবে। তবে সুন্দরবনের প্রাকৃতিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে জুন থেকে আগস্ট পর্যন্ত পর্যটক ও মৌয়ালদের প্রবেশে বাধা রয়েছে।

চলতি বছর করোনার প্রকোপ বাড়লে ২ এপ্রিল জাতীয় চিড়িয়াখানায় দর্শনার্থী প্রবেশ বন্ধ করে দেয়া হয়। প্রায় পাঁচ মাস পর আবারও খুলছে চিড়িয়াখানা। তাই ক্যান্টিন, দর্শনার্থীদের বসার স্থান ধুয়েমুছে পরিষ্কার করা হচ্ছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, স্বাস্থ্যবিধি মেনে ঢুকতে পারবেন দর্শনার্থীরা। রোবাবার ছাড়া বাকি ৬ দিন দেয়া হবে সীমিত সংখ্যক টিকিট।

রাজধানীর বোটানিক্যাল গার্ডেনও খুলছে ১৯ আগস্ট। সেদিনই দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত হবে আহসান মঞ্জিলের গেটও।

রাজধানীর অদূরে গাজীপুরের জনপ্রিয় বিনোদন কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কেও দর্শনার্থীরা যেতে পারবেন বৃহস্পতিবার থেকে। তবে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবনে প্রবেশের সুযোগ থাকছে না। বন বিভাগ বলছে, প্রতিবছরই তিন মাস পর্যটক ও মৌয়ালদের এই বনে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা থাকে। তবে সেপ্টেম্বর থেকে সুন্দরবনে যাওয়ার সুযোগ মিলবে।

এদিকে, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার, বিনোদনকেন্দ্রও চালুর অনুমোদন দেয়া হয়েছে। তবে সবক্ষেত্রেই কঠোরভাবে মানতে হবে স্বাস্থ্যবিধি।

চালু হচ্ছে কক্সবাজার ও পার্বত্য চট্টগ্রামের সব পর্যটনকেন্দ্র।

তবে স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, করোনা পরিস্থিতি এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি। তাই স্বাস্থ্যবিধি ঠিকমতো মানা হচ্ছে কি না কঠোরভাবে নজরদারি করা উচিত।

মন্তব্য

আরও দেখুন

জামালপুর লাইভ টিভি