করোনায় বন্ধ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্কে নতুন রুপ

সাফারি পার্কে নতুন রুপ
সর্বমোট পঠিত : 60 বার
জুম ইন জুম আউট পরে পড়ুন প্রিন্ট

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান বলেন, দুই দফা লকডাউনে আটমাসের বেশি বন্ধ রাখা হয় পার্কটি। এসময় বেশ কিছু প্রাণী বাচ্চা প্রসব করেছে। দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে পার্কে জেব্রার ৫টি, চিত্রা হরিণের ১৩টি, ওয়াইন্ড বিস্টের ৬টি, উট পাখির ১১টি, ইমু পাখির ৫টি এবং ময়ুরের ১১টি বাচ্চা এসেছে।


করোনা সংক্রমণরোধে সরকার ঘোষিত বিধিনিষেধ চলছে। সরকারের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বন্ধ আছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। প্রকৃতির নির্জনতায় বেড়েছে প্রাণীদের প্রজনন সক্ষমতা। প্রাণীদের নিয়মিত পরিচর্যার কারণে মোটাতাজাও হয়ে উঠেছে পশু পাখি। তাদের ঘরেও এসেছে অনেক নতুন অতিথি। লকডাউনের এ সময়ে মৃত্যু কিংবা অসুস্থতার শিকার হয়নি প্রাণী। বরং করোনার কারণে বন্ধ পার্ক উপদ্রবহীন পরিবেশে প্রাণীগুলো বেশ সতেজ আর প্রাণবন্ত হয়ে উঠেছে।

ঢাকার অদুরে গাজীপুর জেলার শ্রীপুরে ৩ হাজার ১১০ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব সাফারি পার্ক। ২০১৩ সালের নভেম্বর মাসে যাত্রা শুরুর পর থেকে প্রতিদিন মানুষের পদচারণায় মুখরিত হতো পার্কটি, সেখানে আজ সুনসান নীরবতায় প্রাণিকুল যেন একটু স্বস্তির নিঃশ্বাস নেয়ার সুযোগ পেয়েছে। দর্শনার্থী না থাকায় পার্কে নিয়োজিত কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও প্রাণীদের পরিচর্চায় অতিরিক্ত সময় ব্যয় করতে পারছেন।

দর্শনার্থীদের পরিদর্শনের জন্য রয়েছে ১০টি পর্যটন গাড়ী যেগুলো প্রতিদিন একাধিকবার চক্রাকার পদ্ধতিতে পার্কে ঘুরতো বর্তমানে সেগুলো বন্ধ রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু সাফারি পার্কের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তবিবুর রহমান বলেন,  দুই দফা লকডাউনে আটমাসের বেশি বন্ধ রাখা হয় পার্কটি। এসময় বেশ কিছু প্রাণী বাচ্চা প্রসব করেছে। দ্বিতীয় ধাপের লকডাউনে পার্কে জেব্রার ৫টি, চিত্রা হরিণের ১৩টি, ওয়াইন্ড বিস্টের ৬টি, উট পাখির ১১টি, ইমু পাখির ৫টি এবং ময়ুরের ১১টি বাচ্চা এসেছে।

প্রাণীদের প্রজনন ও বিশেষ পরিচর্চার কথা বিবেচনা করে প্রতি বছর তুলনামুলক কম দর্শনার্থী আসার সময় অর্থাৎ মার্চ থেকে থেকে মে এই তিনমাস পার্ক বন্ধ রাখার জন্য উর্ধতন কতৃপক্ষের কাছে সুপারিশ পাঠানোর কথা জানিয়েছেন এই কর্মকর্তা।

অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে বন্যপ্রাণীরা মানুষের ওপর বেশ বিরক্ত। করোনার সময়ে সে জায়গায় তারা বেশ খানিকটা স্বস্তি পেয়েছে। কেবল বন্যপ্রাণী নয়, যেসব প্রাণী খাঁচায় ছিল তাদের আচরণেও এসেছে ইতিবাচক পরিবর্তন। এটা ধরে রাখতে পারলে একদিকে যেমন বাড়বে প্রাণীদের সংখ্যা অন্যদিকে দর্শনার্থীরা পাবেন বাড়তি আনন্দ।

মন্তব্য

আরও দেখুন

জামালপুর লাইভ টিভি